সুবর্ণচরে শীতার্ত মানুষের মাঝে প্রশাসনের কম্বল বিতরণ

ইউনুছ শিকদার, নোয়াখালী প্রতিনিধি : সুবর্ণচরে শীতের দাপড়ে জবুথবু জনপথ নিম্ম আয়ের মানুষ।হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে এ উপজেলায়। শীতের কারণে মানুষ ঘর থেকে বাইরে কম আসতে দেখা গেছে। কমেছে নিম্ম আয়ের মানুষের দৈনিক আয়। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে গেছে । বেশি বিপাকে পড়েছে শিশু,বয়স্ক ও নিম্ম আয়ের মানুষগুলো। হাড় কাঁপানো কনকনে এমন শীতে বাহিরে কাজে যেতে পারছেনা কর্মজীবী মানুষ। সুবর্ণচরে গত ৭/৮ দিন ধরে শীতের তীব্রতায় অনেক শ্রমজীবীকে অলস সময় পার করতে দেখা গেছে।

ঠিক এমন সময়ে সুবর্ণচর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে নিজেই ছুটে যাচ্ছেন দরিদ্রদের মাঝে কম্বল নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আকিব ওসমান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রশাসনের এই কর্মকর্তা রাতের আঁধার, গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা আর দুর্গম চর পেরিয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে দেখা গেছে কম্বল। গরিব, দুস্থ ও শীতকাতর মানুষের হাতে কম্বল তুলে দিয়ে তিনি শুধু শীত নিবারণই নয়, মানুষের মনে হাসি ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সুবর্ণচর উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহায়তায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের মাঝেও কম্বল বিতরণ করা হয়।

প্রশাসনের এমন সহায়তায় স্বস্তি এনে দিয়েছে রোগী ও তাদের স্বজনদের মাঝে। একই সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানায় অবস্থানরত এতিম শিশুদের মাঝেও কম্বল পৌছে দেওয়া হয়, যাতে শীতের কষ্ট তাদের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন জীবনে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। চর ওয়াপদা ইউনিয়নের মানিকগঞ্জ এলাকার বধুগঞ্জ তাজুমিয়া নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এ প্রতিবেদকে বলেন, ইউএনও স্যার আমাদের এলাকার শীতার্ত মানুষ এবং এতিমখানায় শিশুদের মাঝে কম্বল দিতেছে। 

এ সময় ইউএনও’র সাথে বিতরণ কার্যক্রমে সহায়তা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছেনমং রাখাইন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ প্রমুখ।