ইউনুছ শিকদার, নোয়াখালী প্রতিনিধি : সুবর্ণচর উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নের থানার হাটে কলেজ শিক্ষক ইয়াকুব আলীর উপর সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলা।
ভিকটিম শিক্ষক বলেন, আমার বাবার নামে বন্দোবস্তীয় ও খরিদ সূত্রে মালিকীয় ২ একর ৪৭ শতক ভূমি উল্লেখিত আসামীসহ কতিপয় দূষ্কৃতিকারীরা ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে জোর করে ক্রয় করার জন্য চাপ সৃষ্টি কর। কিন্তু আমি রাজি না হওয়ায় আইনের আশ্রয় নেয়। জমি বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রায়ই আমার পরিবারের উপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালাতো সন্ত্রাসী বাহিনী।
গতকাল রাত সাড়ে ৭ টার সময়ে আমি বাড়ী থেকে বাজার যাওয়ার পথে আবু তাহেরের বাড়ীর ভিতর থেকে হঠাৎ পিছন থেকে আবুল খায়ের, আবু সাঈদ, সাইফুল ইসলাম, জামাল উদ্দিন, ইব্রাহীম ধনু ও হাসান দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা চালায় আমার উপর।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক ইয়াকুব আলীর উপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালানোর পর কলেজ শিক্ষকের মাথায় ও পিঠের একাধিক জায়গায় মারাত্নক আহত হওয়ার পর নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
অসহায় কলেজ শিক্ষক বলেন, আমার জমির দাম বর্তমান বাজারে প্রায় ১ কোটি টাকা রয়েছে। কিন্তু তারা প্রভাবশালী হওয়ায় ৩০ লাখ টাকা দিয়ে আমার জমি জোর করে লিখে নিতে চাই। কিন্তু আমি জমি বিক্রয় করতে রাজি নয়।
এমতাবস্থায় ওই শিক্ষক পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং আইনের আশ্রয় প্রার্থনা করছে।এলাকার বিক্ষোব্দ জনতা সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছে।
অপর পক্ষে ইব্রাহিম ধনু বলেন, ইয়াকুব আমার আপন বাতিজা। যতগুলো অভিযোগ এনেছে সবগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট। সে তার আপন চাচা (আমার) গায়ে হাত দেয়। আমাকে কয়েকবার মারতে এসেছিল পরে অভিযুক্তরা তাকে প্রতিহত করে।


0 মন্তব্যসমূহ