রামগতিতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৩ উপলক্ষে জনসচেতনতামুলক সভা

ইউনুছ শিকদার (রামগতি)লক্ষীপুর : রামগতি উপজেলা মৎস্য অফিস ও বড়খেরী নৌ পুলিশ ফাঁড়ীর আয়োজনে ব্যবসায়ী এবং জেলেদের নিয়ে জনসচেতনতামুলক সভা অনুষ্ঠিত। 

বড়খেরী নৌ পুলিশ ফাঁড়ীর হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর ২০২৩ ইং পর্যন্ত ২২ দিন মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের সময় সকল প্রকার মাছ না ধরা সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

রামগতিতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৩ উপলক্ষে জনসচেতনতামুলক সভা

বড়খেরী ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সেক্রেটারি মো: ওসমান গনীর সভাপতিত্বে এবং মৎস্য সহকারী নিজাম উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রোগ্রাম শুরু হয়। এতে মেহমান ছিলেন, বড়খেরী নৌ পুলিশ ফাঁড়ীর অফিসার ইনচার্জ ও পুলিশ পরিদর্শক ফেরদৌস আহম্মদ। প্রধান আলোচক ছিলেন, রামগতি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঐতিহ্যবাহী রামগতি মাছ ঘাটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,মো: দুলাল উদ্দিন বেপারী,আবদুল হক বেপারী,ইয়াসিন আরাফাত,আমির হামজা জমির মেম্বার,তৌহিদ কমিশনার,মেহেরাজ উদ্দিন কবি, দিদার উদ্দিন মেম্বার,হুমায়ুন বেপারীসহ অন্যান্য মৎস্য ব্যবসায়ীগণ।

নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী,১২অক্টোবর থেকে ০২ নভেম্বর পর্যন্ত মা ইলিশসহ সব ধরনের ইলিশ মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ। ১৯৮৫ সালের মাছ রক্ষা ও সংরক্ষণ বিধি (প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন ফিস রুলস, ১৯৮৫) অনুযায়ী ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধের এ সময় নির্ধারণ করেছে সরকার। এ সময় জাল ফেলা নিষেধ। এ ছাড়া এ সময়ে জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে ইলিশ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বরফ উৎপাদন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এই আদেশ অমান্য করে ইলিশ মাছ আহরণ ও বিক্রি করলে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। এ ২২ দিন ইলিশ রক্ষায় সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।এ ব্যাপারে জেলা ও উপজেলা মৎস্য দপ্তর,নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ, থানা পুলিশ, এপিবিএনসহ বিভিন্ন টিম সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে।কেউ আইন ভঙ্গ করলে তাকে আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সকল নাগরিক নিজ নিজ অবস্থান থেকে অভিযান সফল করুন মা ইলিশ ধরা বন্ধ করুন রুপালি ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধিতে সহয়তা করুন।