বড়খেরী নৌ পুলিশের সাহসিকতায় বাঁচলো ৮ জেলে

ইউনুছ শিকদার (রামগতি) লক্ষীপুর : রামগতিতে নৌ পুলিশের সাহসীকতায় প্রাণে বাঁচলো ৮ জেলে। নদীতে ডুবে যাওয়া নৌকা থেকে তাদেরকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রামগতির চর আবদুল্লাহ সংলগ্ন নদী থেকে বিকাল ৪টায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপকুলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন শুরু হয় নদীর সাথে গভীর মিতালীর মাধ্যমে। শত প্রতিকুলতাকে উপেক্ষা করে ইলিশ আহরণে মরিয়া নদীকূলের জেলেরা। সমুদ্রে ৩ নং সতর্ক সংকেত থাকার পরেও পেটের দায়ে জাল নিয়ে নদীতে নামে বরিশালের কয়েকজন জেলে। উত্তাল তরঙ্গে নৌকা ডুবে যায়, চর আবদুল্লাহ সংলগ্ন মাঝ নদীতে। হাউমাউ করে কোন রকমে ৯৯৯ নাম্বারে কল দেয় তাদের একজন। ৯৯৯ এর ঢাকার অফিস থেকে নির্দেশনা আসে রামগতি নৌ পুলিশ ফাঁড়ীর পরিদর্শক (নিঃ) ওসি ফেরদৌস আহম্মদ এর কাছে। 

বড়খেরী নৌ পুলিশের সাহসিকতায় বাঁচলো ৮ জেলে

ঝড় বৃষ্টি উত্তাল তরঙ্গে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একদল সাহসী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযানে নিয়োজিত পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ)মোঃ ফেরদৌস আহম্মদ সংগীয় ফোর্স এস আই/বাবু রাখাইন,নাঃ/৮৬০ আবু তাহের, কং/১৯৯৭ সেতু বড়ুয়াসহ এক ঝাঁক চৌকষ পুলিশ দীর্ঘ ৩ ঘন্টা বিরতিহীন অভিযান চালিয়ে জীবিত উদ্ধার করে ৮ জন জেলেকে।

জানা যায়,উদ্ধার জেলেরা বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার কাকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন, মাঝি ইসমাইল ফরাজী (৩৫), সাইফুল ফরাজী(২৫) উভয়ের পিতা, মোসলেম উদ্দিন,মহিউদ্দিনের ছেলে ইব্রাহীম, আলী হোসেনের ছেলে সাদ্দাম হোসেন,জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে ফজলে রাব্বী,জাবেদ আকন্দের ছেলে মো:আবদুল্লাহ, আবদুল মালেক মাঝির ছেলে নুরুল ইসলাম এবং আবদুল মতিন বেপারীর মো: শুক্কুর আলী।

রামগতি বড়খেরী নৌ পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ ওসি মো: ফেরদৌস আহম্মদ বলেন,উদ্ধারকৃত জেলেদেরকে সুস্থতাবোধ করাই বরিশালে তাদের নিজ নিজ বাড়ীতে পাঠানো হয়।