ইউনুছ শিকার, নোয়াখালী থেকে: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় যুবলীগ নামধারী একদল সন্ত্রাসীর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন দেশের একটি বেসরকারি টিভির নোয়াখালী প্রতিনিধি মিজানুর রহমান। এ সময় সন্ত্রাসীরা তার ব্যবহৃত মোবাইলটি ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং তাকে বিভিন্ন হুমকি দেয়।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) সকাল ১০টা নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেন জেলায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দরা।

জেলা প্রতিনিধি সুমন ভৌমিকের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বখতিয়ার শিকদার, আলমগীর ইউছুফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক আনোয়ার, জামাল হোসেন বিষাদ, সিনিয়র সাংবাদিক তাজুল ইসলাম মানিক, সাইফুল্ল্যাহ কামরুল, আকাশ মোহাম্মদ জসিম,আকবর হোসেন সোহাগ,জসিম উদ্দিন আকাশ,সোহেল আজাদ,ইব্রাহিম খলিল শিমুল,ইমাম উদ্দিন সুমন,মোলতালুনুর রহমান মান্না,মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল, আবু নাছের মঞ্জু’সহ আরো অনেকে। এছাড়াও কর্মসূচীতে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে সাংবাদিক মিজানুর রহমানের ওপর হামলাকারিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি দেন তারা। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীরা যাতে নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারে সে দায়িত্ব প্রশাসন তথা সরকারকে নেওয়ার দাবি জানান। 

প্রসঙ্গত, সাবেক রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গত বুধবার বেগমগঞ্জের বাংলাবাজার এলাকায় খাবার বিতরণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে সেখানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যাহ বুলুসহ দলের নেতাকর্মীরা যায়। কর্মসূচি শুরুর সাথে সাথে স্থানীয় যুবলীগের নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে কর্মসূচীরস্থলে এসে হামলা চালায় এবং কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ করে।

এসময় ভিডিও ধারন করতে গেলে সাংবাদিক মিজানুর রহমানের মোবাইল ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে লাঞ্ছিত করে হামলাকারিরা, পরে দুই ঘন্টা পর তাকে মোবাইল ফেরত দেয়। তবে মোবাইলের সকল ভিডিও মুছে দেয়া হয়। এ ঘটনায় গতকাল রাতে মিজানুর রহমান বাদি হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দিলেও এখনও পর্যন্তু কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।