ফয়সাল কবির, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ৩ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা টাকা ব্যয়ে সদরে ১০টি মাদ্রাসায় নতুন ভবণের নির্মাণ কাজ চলছে । ভবণ গুলো নির্মাণ শেষ হলে মান সম্মত শিক্ষা নিশ্চিত, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। নতুন একাডেমিক ভবণ গুলোতে থাকবে ৯টি শ্রেণী কক্ষ, ছাত্রীদের জন্য কমনরুম, শিক্ষক মিলনায়তন, প্রধান শিক্ষকদের জন্য অফিস কক্ষ, নামাজের কক্ষ, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক পৃথক ওয়াশরুমসহ অন্যান্য সুবিধা।
লক্ষ্মীপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বেসরকারী মাদ্রাসা সমূহের উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কামান খোলা দাখিল মাদ্রাসা, বাঙ্গা খাঁ ইউনিয়নের যাদৌয়া দাখিল মাদ্রাসা, উত্তর হামছাদী শ্যামগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসা, দত্তপাড়া দাখিল মাদ্রাসা, টুমচর দাখিল মাদ্রাসা, চরশাহী দাখিল মাদ্রাসা, মান্দারী ইউনিয়নের গর্ন্ধব্যপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার নতুন ভবণ সহ আরো ৩ টি মাদ্রাসা।সরেজমিনে গতকাল সোমবার সকালে গিয়ে দেখা যায় দালাল বাজার কামানখোলা দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন নির্মাণের কাজ চলছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স বাবুল ট্রেডার্স এই কাজটি বাস্তবায়ন করছে।
অভিযোগ উঠেছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের না জানিয়ে ঠিকাদার ঢালাই কাজ শুরু করে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজের ত্রুটি দেখতে পায় দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী প্রসেনজিত বিশ্বাস ।তিনি তাৎক্ষনিক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ত্রুটিপূর্ণ কাজ পুনরায় করার নির্দেশ দেয়।জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী (সদর) প্রসেনজিৎ বলেন, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের সমন্বয়ে নতুন ভবণের নির্মাণ কাজ মান সম্মত ভাবে করার জন্য আমরা তদারকি করে যাচ্ছি। সম্প্রতি আমাকে না জানিয়ে ঠিকাদারের লোকজন চারটি কলাম ঢালাই করে।
এতে কাজের অনিয়ম হয়েছে বলে জানতে পারি। পরে কলামগুলো ভেঙে পেলে পুনরায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন ১০ টি ভবণের কাজের মান যাতে ভালো হয় সেই জন্য উপসহকারী, সহকারী প্রকৌশলী ও নিবার্হী প্রকৌশলী দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে।
0 মন্তব্যসমূহ