ইউনুছ শিকদার, নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মধ্য চরবাটা গ্রামে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে তরুণ চন্দ্র মজুমদার (৩২) নামের এক সেলুন কর্মচারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

সোমবার (১৫ নভেম্বর) নিহতে নিজ বাড়ীতে স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার এক পর্যায়ে ঘরে থাকা ইঁদুরের ঔষধ খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়।

সে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের মধ্য চরবাটা গ্রামের মৃত কান্তিলাল মজুমদারের ছোট ছেলে। সে পার্শ্ববর্তী উপজেলা কোম্পানীগঞ্জের উড়ির চরে সেলুন দোকানে কাজ করতো। নিহতের বড়ভাই মরন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ১৫ দিন আগে সেলুনের কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হলে জেলা শহরের একজন ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা করায়। এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেননি। এরই মধ্যে মানসিক বিকারগ্রস্ত তরুণ চন্দ্র মজুমদারকে বাড়ীতে নিয়ে আসা হয়।

জানা যায়,গতকাল রবিবার দিনভর স্বামী-স্ত্রী দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে রাত সাড়ে নয়টার দিকে নিজেদের বসতঘরে থাকা ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে ফেলেন মানসিক রোগী তরুণ চন্দ্র মজুমদার। কিছুক্ষণ পর শরীরে অস্বস্তি বোধ করেন এবং ইঁদুরের বিষ খেয়েছেন বলে মেয়ে মিতু রানী মজুমদারকে জানালে তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে প্রথমে গ্রাম্য পল্লী চিৎিসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিল্টন দেবনাথ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মিল্টন দেবনাথ বলেন, হাসপাতালে আসার আগে তিনি মারা যান। হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শুকনো কোন বিষ খেয়েছেন।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, আমি এবিষয়ে কিছুই জানি না। তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।