গাংচিল অনলাইন ডেস্কঃ নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নিঝুমদ্বীপের ইউপি চেয়ারম্যান মেহরাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অসহায় পরিবারের মাঝে ঘর দেয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে।
২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ সহনীয় চারটি ঘর উপহার দেবেন এমন তথ্য দিয়ে অসহায় চার পরিবারের কাছ থেকে ৫০ হাজার করে টাকা নেন তিনি। এমনকি এ পরিবারগুলোকে পাকা ঘর নির্মাণেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ চারটি পাকা ঘর দেখিয়ে ওখানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আরও ঘর উপহার দেয়া হবে বলে শতাধিক ভূমিহীন পরিবারের কাছ থেকে তিনি ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে দীর্ঘদিনেও ঘর না পেয়ে টাকা চাইতে গিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে লাঞ্ছিত হয়েছেন ভুক্তভোগীরা। নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শিল্পি বেগম জানান, ‘আমাদের থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে মেহেরাজ চেয়ারম্যান এপাকা ঘর দিয়েছে। কিন্তু ঘরে এখন পানি পড়ে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ওই ঘরে বসবাস করতেও ভয় করে।’
অভিযোগকারীদের অনেকে জানান, সুদের ওপর টাকা নিয়ে তারা চেয়ারম্যানকে দিয়েছেন। এখনো প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে সুদ দিতে হয় তাদের। এখন ঘর না পেয়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ভুক্তভোগীরা।
এদিকে, অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।
তিনি দাবি করেন, ঘর নির্মাণে পিআইও ও ট্যাগ অফিসার জড়িত ছিলেন। তিনি কোনো টাকা-পয়সা নেননি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইমরান হোসেন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তথ্য ও ভিডিও সূত্রঃ জাগো নিউজ
0 মন্তব্যসমূহ