ইউনুছ শিকদার, নোয়াখালী প্রতিনিধি : চাকার সঙ্গে জীবন ঘুরে যেসব শ্রমিকদের। করোনায় বন্ধ হয়েছে গাড়ির চাকা ঘুরা। একই সঙ্গে থমকে গেছে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। কর্মহীন হয়ে পড়েছে পরিবহন শ্রমিক, দিনমজুর ও অন্যান্য পেশার কিছু মানুষ। এমন দুর্ভোগে পড়া ২০০শতাধীক পরিবহন শ্রমিক,ও দরিদ্র জনপদে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সামগ্রীর উপহার পৌঁছে দিলেন সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৈতী সর্ববিদ্যা।

সোমবার(৫ই জুলাই) সকাল থেকে তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে উপস্থিত হয়ে হাতে হাতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন। খাদ্য সামগ্রীতে রয়েছে, চাল, ডাল, লবন,তৈল,মরিচ,পেয়াজ,রসুন ও হলুদ।

দেশব্যাপী চলমান কঠোর লকডাউনে সুবর্ণচরে ক্ষতিগ্রস্থ প্যাডেল রিকসা চালক ও ব্যাটারী চালিত অটো রিকসা চালক, সিএনজি চালক, দিন মজুর হোটেল কর্মচারী, চিন্নমূল ও হতদরিদ্র মানুষের জীবনে নেমে আসে স্থবিরতা। প্রকৃত প্রাপ্যদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিতে কয়েকদিন ধরে সজাগ রয়েছে সুবর্ণচর উপজেলা প্রশাসন। প্রতিদিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন গ্রামে গঞ্জে।


অন্যান্য দিনের ন্যায় সোমবার দুপুরে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে অটোরিকশা চালক ৮৩ জন সিএনজি চালক ২৩ জন, মিশুক চালক ৭২ জন

জেলা ও উপজেলায় ৩৩৩ কলের ২৩ জন সহ ২০১ জনের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৈতী সর্ববিদ্যা।

এসময় তিনি, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান কঠোর লকডাউনে বিধি নিষেধ মেনে চলতে সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন আমাদের যত কষ্টই হোক আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী প্রকৃত প্রাপ্যদের হাতে পৌঁছে দিবো। আপনারা ঘরে থাকুন জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ হাটে বাজারে আসবেন না। সকলে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন। 

আমাদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ চলমান থাকবে। উপজেলায় পর্যায় ক্রমে ১ হাজার ৩ শত জনকে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.আজিজুর রহমান,সুবর্ণচর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী বাবলু,সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক আরিফ সবুজ ও দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক ইউনুছ শিকদারসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। 

উপজেলা প্রশাসনের বিতরণ করা ওই খাদ্য সামগ্রীর প্রতি প্যাকেটে ছিল: দশ কেজি চাল, এক কেজি মসুর ডাল, দুই লিটার সয়াবিন তৈল, এক কেজি লবণ একশত গ্রাম মরিচ ও একশত গ্রাম হলুদের গুড়া।