ইউনুছ শিকদার, নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া কৃষক উচ্চ বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচারে ক্ষুব্দ অভিভাবক ও এলাকাবাসী। তারা মনে করে পদ পদবীর লোভে ব্যক্তি স্বার্থে বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার কথা চিন্তা না করে কিছু অসাধু ব্যক্তি এ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের আন্তরিকতায় ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নতুন ভবন বরাদ্ধের খবরে যখন এলাকাবাসী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী খুশি সেসময় এধরনের অপপ্রচারে সবাই ক্ষুব্ধ। তরা মনে করে, এসব হীন মানসিকতার লোকদের তারা চিহ্নিত করেছে আগামী দিনে বিদ্যালয়ের স্বার্থে তাদের বর্জন করা হবে।
জানা যায়, নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া কৃষক উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠদানের সুষ্ঠ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সরকার নতুন ভবন নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয়। শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর ৮০ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে চার তলা ফাউন্ডেশনের ১ তলা ভবন নির্মাণের বরাদ্দ হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমডি কনস্ট্রাকশন এন্ড আয়রন বিল্ডাস কাজ পায়।
বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভাঙ্গার জন্য পরিচালনা পরিষদ মার্চের ২৪ তারিখে বৈঠক করে। বৈঠকে অভিভাবক সদস্য আবদুল জাব্বরকে আহ্বায়ক করে পুরাতন ভবন বিক্রি উপ-কমিটি করা হয়। কমিটি ৬ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত দরপত্র আহ্বানের সময়সীমা বেঁধে দেয়। ১২ই এপ্রিল টেন্ডারের মাধ্যমে আড়াই লক্ষ টাকায় মোঃ আলা উদ্দিন পুরাতন ভবন ভাঙ্গার টেন্ডার পায়। ২৯ এপ্রিল কমিটি নগদ টাকা পাওয়ার পর আমিশাপাড়ায় মার্কেন্টাইল ব্যাংকে বিদ্যালয়ের একাউন্টে জমা দেয়।
বিদ্যালয়ের এমন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বিঘ্ন
ঘটাতে একটি মহল অপপ্রচার শুরু করে। আর এতে হতাশা ব্যক্ত করেন অভিভাবকগণ। অভিভাবকরা জানান, শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা কোনভাবে কাম্য নয়। শিক্ষার পরিবেশের উন্নয়নে যেখানে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে, সেখানে চলছে অপপ্রচার। এতে শিক্ষার পরিবেশ মারাক্তকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য আবদুল জাব্বার বলেন, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ হচ্ছে। অথচ এতে চালানো হচ্ছে অপপ্রচার। সোনাইমুড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোস্তফা হোসেন বলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ ভবন বিক্রির এখতিয়ার রাখে।

0 মন্তব্যসমূহ