ইউনুছ শিকদার, নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মিথ্যা সাজানো ধর্ষণ মামলায় রামগতির আইউব আলী নামক এক নিরীহ চা দোকানদারকে গ্রেফতার করানোর প্রতিবাদে রামগতিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন পরবর্তী সমাবেশ হয়েছে।

বুধবার (১৬ জুন) বিকাল ৪টায় রামগতির ৯ নং চরগাজী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড ফরিদ মেম্বার বাজারের এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়।


মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে ৯ নং চরগাজী ইউনিয়নের তরুণ চেয়ারম্যান সাবেক লক্ষীপুর জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মো.তাওহীদুল ইসলাম সুমন,বিনয়ের সহিত বলেন,লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের ০৫ নং ওয়ার্ডের দুলাল সমাজের সাথে নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চর জুবলী ইউনিয়নের চর জিয়াউদ্দিনের সাথে সীমানা জড়িলতা রয়েছে।জড়িলতার বিষয়ে দুই জেলার মান্যবর জেলা প্রশাসকদ্বয় ও সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ অবগত আছেন।তিনি উভয় উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেন,যাতে সুন্দর একটি সিদ্ধান্ত দিয়ে নিরীহ জনসাধারণকে হয়রানী ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।

এছাড়াও মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার শেখ ফরিদ,সিডিএসপির ফরিদ মেম্বার,জালাল উদ্দিন হোরন,মিরাজ উদ্দিন,দুলাল সমাজের দুলাল মিয়া,শাহেদুল ইসলাম ও মামুনুল বারীসহ প্রমুখ।বক্তারা বলেন,আমাদের সাথে কারো সাথে কোনো বিরোধ নেই।তবে কুখ্যাত ভুমিদস্যু, বনদস্যু, ডাকাত শফি বাতাইন্না এসব সীমান্ত এলাকায় নিরীহ অধিবাসীদের বিভিন্নভাবে মিথ্যা মামলা, হামলা দিয়ে হয়রানী করছে।গত (৭ জুন সোমবার) চরগাজী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড ফরিদ মেম্বার বাজারের ব্যবসায়ী আইউব আলীকে সাজানো মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার করিয়েছে।


গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ীর নাম আইউব আলী (২৬), সে রামগতির চর গাজী ইউনিয়নের ০৫ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ টুমচরের আবু তাহেরের ছেলে।সে চা দোকান করে ফরিদ মেম্বার বাজারে।গ্রেফতারের ৩/৪ দিন পূর্বে শফি বাতাইন্নার বাহিনী শাহাদাতের সাথে সামান্য কথা কাটাকাটি হয় এরই জেরে শাহাদাতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার (৩৫)কে বাদী করিয়ে সাজানো ধর্ষণ মামলায় তাকে জেলে পাঠানো হয়।

এলাকাবাসী নাম না বলার শর্তে প্রতিবেদককে বলেন,এখানে ডাকাতি,মারামারি ও ধর্ষণ এগুলো শফি বাতাইন্নার নাটক ছাড়া কিছুই নয়।মূলত এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে রামগতি ও সুবর্ণচর উপজেলার সীমানা নিয়ে দ্বন্দের জের ধরে।এখানে রামগতির কোন লোক যদি ফরিদ মেম্বার বা রামগতির পক্ষ হয়ে ভুমি দস্যু ও বনদস্যু শফি বাতাইন্নার বিপক্ষে ন্যায় কথা বলে, তার উপর নেমে আসে হামলা ও ধর্ষণের মত জগন্য মামলা।শফি বাতাইন্নার নিকট একাধিক পতিতা মহিলা রয়েছে তারা যে কোন মূহুর্তে অন্যকে ফাঁসাতে নিজেকে ধর্ষিতা প্রমাণ করাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

চর জুবিলীর এক জনপ্রতিনিধি বলেন,শফি বাতাইন্না হলো চর জিয়াউদ্দিনে যত অকামের মূল হোতা।তার ইশারায় সব কিছুই হতে পারে।সে অন্যকে ফাঁসাতে নিজস্ব বাহিনী দিয়ে চুরি,ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ ও রাহাজানি সবই করতে পারে।আবার ভালো মানুষকে কৃত্রিম ব্যান্ডেজ ও রক্ত লাগিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে মামলা করাতে প্রস্তুত করানো এসব নোংরামী বাতাইন্নার কাজ।

অথচ চর জব্বার থানার এ এস আই কবির হোসেন জানান, আমি আইউব আলীকে তার চা দোকান থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় ভোর রাতে আটক করি। এলাকাবাসীর একটায় দাবী সীমানা জড়িলতা দ্রুত নিষ্পত্তি করে আমাদেরকে শান্তিতে বসবাস করতে দিন।