ইউনুছ শিকদার, নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বর্ষা মৌসুম আসার পূর্বেই ব্যাপকভাবে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে চানন্দী ইউনিয়নের জনতা বাজার এলাকা এবং হরনি ইউনিয়নের চতলাখাল এলাকা নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে, হঠাৎ করে শুকনো মৌসুমে নদী ভাঙ্গন বৃদ্ধি পেয়ে জনতা বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ফরিদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় হেমায়েতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় বিলীন হয়ে যাওয়ার পথে। বিগত ৫ বছরে মুজিব বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাসিনা বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়, জয় বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ দশটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিলীন হয়ে গেছে জয় বাজার মুজিব বাজার শেখ হাসিনা বাজার সহ এগারোটি বাজার বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী জনতা বাজার বিলীন হওয়ার পথে।

তাছাড়া আরো বিলীন হয়েছে রাস্তাঘাট সুইজগেইট কালভাট ব্রিজ কয়েক হাজার একর ফসলি ভূমি, কয়েক শত কিলোমিটার বেড়িবাঁধ মানুষের বাড়িঘর সহ সাইক্লোন শেল্টার ও সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা। হরনি ইউনিয়নে বিলীন হয়ে গেছে চতলা সুইজ, জোয়ারের পানি ঢুকে কয়েক হাজার বাড়িঘর, ক্ষেতের ফসল পুকুরের মাছ বেরিবাঁধ ছিন্নভিন্ন করে দেয়। বর্তমানে মুক্তি সমাজ মাদ্রাসা ও আশ্রয়ন কেন্দ্র টাংকি বাজার চেয়ারম্যান ঘাট বাজার ভাঙ্গন কবলিত।

চতলা খাল পানি ব্যবস্থাপনা দলের সভাপতি ও স্থানীয় সাংবাদিক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন জরুরী ভিত্তিতে যদি নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা না নেওয়া হয় অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে হাতিয়া উপজেলার হরনি,চানন্দী ইউনিয়নসহ হাতিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ নাসির উদ্দিন ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন, তিনি বলেন নদী ভাঙ্গন রোধে প্রকল্প ডিপিপি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে হাতিয়া উপজেলার নদীর তীরবর্তী এলাকা গুলি নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে।