ইউনুছ শিকদার, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইসবুকের কল্যাণে ৮ বছর পর সুবর্ণচরের থানারহাটে স্বজনেরা খুঁজে পেল টাঙ্গাইলের শাহে আলমকে।
সোমবার (১ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যে ৭:০০ টায় থানারহাটে যখন শাহে আলমের মা, ২ বোন ও ভাইয়ের দেখা মিলে। তখন এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উৎসুক জনতার ভিঁড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় স্থানীয় প্রশাসনের।
পরিবারসূত্রে জানা যায়, ৮ বছর পূর্বে মানসিক সমস্যার কারণে টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের খাকজানা গ্রামের শাহে আলম হারিয়ে যায়। শাহে আলম চলার পরিক্রমায় সুবর্ণচরের বৃহৎ বাজার থানারহাটে এসে আশ্রয় নেয়। থানার হাটের ব্যবসায়ীরা খাদ্য ও পোশাক দিয়ে শাহে আলমকে সহযোগীতা করে। এভাবে কেটে যায় ৮ বছর।
২০২০ সালের ২৬শে জুলাই স্থানীয় সাংবাদিক ইউনুছ শিকদারের ব্যক্তিগত ফেইসবুকে শাহে আলমকে নিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পোস্টটি বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার করা হয়।
সর্বশেষ থানারহাটের এক ছাত্র মো: শাহাদাত হোসেনের সাথে শাহে আলমের পরিবারের লোকজন ও ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা হয়। এরই সূত্র ধরে সোমবার শাহে আলমের মা, ২ বোন ও চাচাতো ভাই এসে পৌছে থানারহাটে। বাজার সেক্রেটারি সাহাব উদ্দিন মিয়া ও ০৮ নং ওয়ার্ড মেম্বার মিরাজ উদ্দিন মোক্তার তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই বাচাই করে শাহে আলমকে তাদের হাতে তুলে দেন। বাজার সেক্রেটারির সহযোগীতায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উৎসুক জনতা তাদের হাতে যাতায়াত খরচ বাবত তুলে দেন প্রায় ১৫০০০ (পনের হাজার) টাকা।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বাজার ব্যবসায়ী তানভীর আহমেদ, ছাত্রলীগ সভাপতি আবদুল্লাহ ফারুক, ছাত্রলীগ সেক্রেটারি মফিজুর রহমান আশিকসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


0 মন্তব্যসমূহ