নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ বহুল আলোচিত বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে ধৈর্য ধরতে বলছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
শনিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে আসলে ওবায়দুল কাদের নিজের ছোট ভাইকে এ পরামর্শ দেন।
সাক্ষাৎ শেষে আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ‘দলের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে নেওয়া সব কর্মসূচি স্থগিত করছি। নোয়াখালীর অপরাজনীতির বিষয়ে নেত্রীর কাছে অভিযোগ আছে। এসব বন্ধে তিনি পদক্ষেপ নেবেন বলে আপাতত আস্থা রাখছি। বন্ধ না হলে একমাস পর প্রেসক্লাবে দাঁড়াবো।’
সৌজন্য সাক্ষাতে আবদুল কাদের মির্জার পরিবারের সদস্য, বসুরহাট পৌরসভার নির্বাচিত কাউন্সিলর, মহিলা কাউন্সিলরসহ প্রায় দুই শতাধিক দলীয় নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতের বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত বলেন, ‘জেলার রাজনীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের বসুরহাট ও কবিরহাট এলাকায় গ্যাস যাবে। এই বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগও করেছেন বলে জানিয়েছেন।’
বৈঠকে ওবায়দুল কাদের দলীয় নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘বিগত কয়েকদিন যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ে কথা হয়েছে সেসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন এবং বোঝেন। উনার ঊর্ধ্বে কেউ নন। তিনি যে কোনও সময়, যে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। আপনারা যারা তৃণমূলে রাজনীতি করেন, তারা নেত্রীর প্রতি শতভাগ আস্থা ও ভালোবাসা রেখে কাজ করেন। কোনও গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না।’
তিনি বলেন, ‘কোনও জনপ্রতিনিধি বা অন্য কেউ যদি কিছু বলে সেটার বিষয়ে আমি কাউকে প্রতিবাদ করতে বলি নাই। আপনারা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিলেন, সেই বিষয়ে আমি নিষেধ করেছি। নোয়াখালী শহরে প্রতিবাদ সভা আহ্বান করা হয়েছিল। সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। আজকের পর থেকে আপনারা কোনও অবাস্তব কথা বলবেন না। গঠনমূলক কথা বলবেন। কারও বিরুদ্ধে, কারও সমালোচনা করবেন না। যদি কেউ করেন, সেই সব বিষয়ে নেত্রী ওয়াকিবহাল। তিনিই ব্যবস্থা নেবেন।’


0 মন্তব্যসমূহ