লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার তৎকালীন দেনায়েতপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট, তার পিতা হুমায়ুন কবির ভাট রায়পুর বাজারের একজন স্বনামধন্য ও সফল ব্যবসায়ী । রায়পুর ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন রায়পুর ব্যাবসায়ী কল্যাণ সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করছেন। স্কুল জীবনে রায়পুর মার্চেন্টস একাডেমী ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক দায়িত্ব পালন করেন হুমায়ুন কবির ভাট ।তিনি একজন প্রবীন আওয়ামীলীগার এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক।
দাদা হাজী বজলুল হক ভাট ছিলেন রায়পুর বাজারের প্রথম দিকের একজন বড় ব্যবসায়ী, ১৯৬০ সনে ব্যবসার গোড়া পত্তন, বংশ পরষ্পরায় এই তরুন উদীয়মান আওয়ামীলীগ নেতাও একজন ব্যবসায়ী।
শিক্ষাগত জীবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.এস.এস (অনার্স) মাস্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করেন।
তিনি ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সখ্যতা, এবং ওতোপ্রোতভাবে ছাত্ররাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন ।
১/১১ এবং নেত্রী মুক্তি আন্দোলন সহ সকল আন্দোলন সংগ্রাম মিছিল মিটিংয়ে ঢাকার রাজপথে থেকে সক্রিয় ভুমিকা পালন করা এই তরুন উদীয়মান আওয়ামীলীগ নেতা
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রায়পুর পৌর ৩ নং ওয়ার্ডের সাধারন সম্পাদক ও রায়পুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয় জীবন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের যুগ্ম আহবায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা মুল কমিটির ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ছিলেন। বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ( লিয়াকত- বাবু কমিটি) সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ।
অন্যদিকে রুবেল ভাট মনোনয়ন পাওয়ায় জনসাধারণের অধিকাংশই খুশি। তাদের বক্তব্য হচ্ছে দলের মধ্যে নতুন নেতৃত্ব দরকার। নতুনদের হাত ধরেই আসতে পারে পরিবর্তণ। তাছাড়া অন্য সকল প্রার্থীদের গায়ে নানা ধরণের দূর্নীতির কালিমা রয়েছে যা রুবেল ভাটের মধ্যে নেই। দলের মধ্যে তার স্বচ্চ ইমেজ রয়েছে।
উল্লেখ্য, তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক উপকমিটির সদস্য। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন। এর আগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

0 মন্তব্যসমূহ