পরে সন্ধ্যায় খবর পেয়ে আহত বাস চালককে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবহন শ্রমিকরা। আহত ইসমাইল হোসেন সোহেল লক্ষ্মীপুর পৌরসভার বাঞ্চানগর গ্রামের বেলায়েত হোসেন মিন্টুর ছেলে। তিনি যাত্রীবাহী বাস আনন্দ পরিবহনের চালক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার বেলা ১১টার দিকে রায়পুর বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি পার্কিং নিয়ে যাত্রীবাহী বাস বোগদাদ পরিবহন ও আনন্দ পরিবহনের শ্রমিকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এ ঘটনার প্রায় দুই ঘন্টা পর আনন্দ পরিবহনের চালক ইসমাইল হোসেন সোহেলকে নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করেন রায়পুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক তানভীর হায়দার চৌধুরী রিংকু। পরে আহত চালককে কয়েক ঘন্টা আটক রাখা হয় তার বাসায়।
স্থানীয় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই চালককে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রিংকু।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তানভীর হায়দার রিংকু মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দুই পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে বিষয়টি তাকে জানালে তিনি উভয় পক্ষকে নিয়ে তা সমাধান করেন। একটি পক্ষ বিষয়টি অন্যদিকে নেওয়ার জন্য এখন তালবাহানা করছে।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল জলিল বলেন, বাস চালককে বাসায় ডেকে নিয়ে মারধরের ঘটনাটি শুনেছি। তবে এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্যসমূহ