লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ২নং চরবংশী ইউনিয়ন ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার টিটু কবিরাজের সেজো মেয়ে।স্কুল ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় কোন ব্যবস্থায়ই নেয়নি রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, নিহতের ঘটনার কারন দর্শানো নামে মাত্র দিয়েছে রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে কোচিং বানিজ্য, গাইড বই বানিজ্য, আল্পনা আক্তার নামে এক শিক্ষিকার বদলি শিক্ষক হয়ে স্বামী কতৃক পাঠদান দিয়ে বেতন আত্মসাৎ ও স্কুলে চতুর্থ শ্রেনির একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় পরোক্ষভাবে দায়ী প্রধান শিক্ষিকা জেসমিন আক্তারের বিরুদ্ধে তেমন কোন ব্যবস্থাই নেয়নি জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার সকালে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে নামেমাত্র ছাত্রী নিহতের ঘটনায় কারন দর্শানোর নোটিশের জবাব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।

শিশু ছাত্রী ডালিয়ার পিতা টিটু কবিরাজ জানান, প্রধান শিক্ষিকা জেসমিন আক্তার এর অনিয়মের সুযোগ করে দিয়েছেন শিক্ষা কর্মকর্তারা। তাদের নির্দেশই জেসমিন আক্তার প্রধানমন্ত্রীর ও মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ অমান্য করে অবৈধ কোচিং করাচ্ছেন মাসের পর মাস। এছাড়াও স্কুলের স্লিপ ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ বছরের পর বছর ধরে শিক্ষা কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ভোগ করেছেন। সংস্কারের বাৎসরিক অনুদান পেলেও তার কোনটিই খরচ করেননি বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, গত শনিবার সকাল ১১টায় কোচিং পতাকা ভেঙ্গে এ শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনা ঘটে। পরে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে লক্ষ্মীপুর এবং মাইজদী হয়ে ঢাকা নেওয়ার পথে ১১টা ২৫ মিনিটে সে মারা যায়। বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদাউস ডালিয়া। 

অভিযুক্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জেসমিন আক্তার ঘটনার পর থেকেই পালাতক রয়েছেন। এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে তার ব্যবহৃত মোবাইলে কল করলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।