ইউনুছ শিকদার(সুবর্ণচর)নোয়াখালী: সুবর্ণচর উপজেলায় ছাত্রলীগকে অধিক সু-সংগঠিত ও শক্তিশালী করতে চান ফিরোজ আলম টিটু। ইতিপূর্বে ছাত্রলীগকে সু সংগঠিত করতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ডে কাজ করে আসছেন। তাই সাধারণ ছাত্রদের প্রিয় মুখ ফিরোজ আলম টিটু।

একাধিক ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতারা বলেন, টিটু ভাই অল্প বয়সে তিনি অনেক গুণ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। শান্তি প্রিয় ছাত্রনেতা হিসেবে বড়দের স্নেহের পাত্র। অন্যায়ের প্রতিবাদী হিসাবে মজলুমের আপনজন। ছাত্র রাজনীতিতে টিটু কর্মী বান্ধব একজন নেতা। সামাজিক কাজে সর্বদায় স্বজ্জন। দেশ প্রেম তার হৃদয়ে গাঁথা। মুজিবের আদর্শ বুকের ভিতর লালন করেন ফিরোজ আলম টিটু। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মনে করেন বাংলাদেশের অহংকার এবং তার শাসন ব্যবস্থাকে সদা মান্য করেন। 

নোয়াখালীর সংসদীয় আসন সদর-সুবর্ণচরের এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর দিক নির্দেশনাকে একজন ছাত্রলীগের কর্মী হিসাবে শ্রদ্ধা এবং সম্মান করেন।

পূর্ব চরবাটার হাজ্বীপুর গ্রামের পুণঃ হাজ্বীদের বাড়িতে সাখাওয়াত হোসেন এর পুত্র ফিরোজ আলম টিটু'র ছাত্র রাজনীতির হাতে খড়ি হয় স্কুল জীবনে। টিটু সপ্তম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় সুবর্ণচরে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের জনসভায় নিয়মিত অংশ গ্রহণ করতেন। সাধারণ ছাত্ররা আরোও বলেন, বেশিরভাগ কর্মসূচীতে টিটু ভাইয়ের কন্ঠে জয় বাংলা স্লোগানের ধ্বনি শুনতাম। প্রবীণ আঃলীগের একজন নেতা বলেন, ছাত্রলীগের প্রতি তার গভীর অনুরাগ সুবর্ণচরের নেতৃবৃন্ধের নজর কাড়ে। ২০১১ সালে তিনি দায়িত্ব প্রাপ্ত হন, সৈকত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদের। সফলতার সহিত অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন টিটু। এছাড়াও ২০১৭ সাল থেকে টিটু নিজ ইউনিয়ন পূর্ব চরবাটার ছাত্রলীগ এর সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি সুবর্ণচর উপজেলার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

ফিরোজ আলম টিটু অতীতে হরতাল অবরোধের সময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে নিজ দলের নেতাদের নিকট হয়েছিলেন প্রশংসিত। দলের প্রয়োজনে তিনি গর্জে উঠতে ভুলেন নাই। নিজের জীবনকে তুচ্ছ জ্ঞান করে সামনের সারিতে দাঁড়াতেন। উদ্দেশ্য নয়, আদর্শই এ ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে।## প্র
প্রতিবেদককে ফিরোজ আলম টিটু বলেন, যার বা যাদের রক্তে, শিরায়, উপশিরায়, অস্থি, মজ্জায় মিশে একাকার হয়ে গেছে রাজনীতি। যারা রাজনীতির মাধ্যমে দুষ্টের দমন করতে চান এবং সমাজের কাঙ্ক্ষিত ইতিবাচক পরিবর্তন করতে চান। যারা দলের সফলতাকে নিজেদের সফলতা মনে করেন। যারা কর্মীদের সুখ দুঃখকে নিজেদের সুখ দুঃখ মনে করেন। যারা সমর্থকদের বিপদে আপদে পরম বন্ধু হয়ে পাশে দাঁড়ান। আমি তাদের সে রাজনীতিকে শ্রদ্ধা করি এবং সম্মান করি। আমিও তেমন রাজনীতির চর্চা করি। আমার এ চর্চা অব্যাহত রাখতে চাই।

তিনি আরো বলেন, সুবর্ণচর উপজেলাধীন ছাত্রলীগ'র রাজনীতি সু-সংগঠিত। তবে আমি সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রলীগ'র সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পেলে আমি সংগঠনকে আরো অধিক সু-সংগঠিত এবং বেগবান করার চেষ্টা করবো।