ইউনুছ শিকদার (সুবর্ণচর)নোয়াখালী : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলা থেকে চুরি হওয়ার দু’দিন পর (১৯ মাস) বয়সী শিশু মো. সিফাত মোল্লাকে নোয়াখালীর সুবর্ণচর থেকে উদ্ধার করেছে চর জব্বার থানা পুলিশ।
মো.সিফাত মোল্লা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার দেবপুর গ্রামের মোল্লাবাড়ির শিপন মোল্লার ছেলে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ এস আই নাজিম উদ্দিন অভিযান চালিয়ে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নের চর কাজী মোখলেছ এলাকা থেকে চুরি হওয়া শিশুকে উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ শিশু চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দু’জনকে আটক করে।
আটককৃতরা হলো, সুবর্ণচর উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের চর কাজী মোখলেছ গ্রামের নুরনবী’র ছেলে আনোয়ার (২৫), একই এলাকার আবদুস শহীদ’র ছেলে ফারুক (৩৫)।
এর আগে, গত (৬ সেপ্টম্বর) দুপুরের দিকে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার দেবপুর গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে শিশু চুরির এ ঘটনা ঘটে।
রাত ১০টার দিকে সুবর্ণচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইব্রাহীম খলিল শিশুটিকে তার মা লাকী বেগম ও বাবা শিপন মোল্লার হাতে তুলে দেন।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার বলছে, অভিযুক্ত ফারুক ও তার স্ত্রী ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলায় তাদের পাশের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করত। গত (৬ সেপ্টম্বর) দুপুরের খাওয়ার শেষে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়লে ফারুক ও তার স্ত্রী শিশু সিফাতকে চুরি করে পালিয়ে যায়। শেষে শিশুকে হত্যার ভয় দেখিয়ে তারা বিকাশের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে দু’দফায় ছয় হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে পুলিশ অভিযোগ পেয়ে মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং দু’জনকে আটক করে।
চরজব্বার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইব্রাহীম খলিল, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এ ঘটনায় চুরি হওয়া শিশুর বাবা বাদী হয়ে গত (৭ সেপ্টেম্বর) আখাউড়া থানায় একটি অপহরণ মামলা করে। এই মামলার সূত্র ধরে শিশুটি উদ্ধারে অভিযানে নামে পুলিশ। পরে সুবর্ণচর উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়ন থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে রাত ১০টার দিকে তার মা-বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়। আটককৃৃতরা পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।


0 মন্তব্যসমূহ