লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে ছাত্রলীগের ৬ নেতা-কর্মীসহ ৭জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

আহতরা হলেন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল নোমান, ২নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. ফাহাদ, মো. ফাহাদের বাবা কামরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ কর্মী মোরশেদ আলম, ইয়াছিন, রায়হান ও সাকিব। গুরুতর আহত মো. ফাহাদ, তার বাবা কামরুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল নোমানকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

জানা গেছে, রোববার বিকেলে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের তুলাতলা এলাকার একটি চা দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিল ফাহাদ ও তার সহকর্মীরা। এসময় কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি এম আর মাসুদের নেতৃত্বে ১৫/২০জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে। এতে মো. ফাহাদ, তার বাবা কামরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ কর্মী মোরশেদ আলম, ইয়াছিন, রায়হান ও সাকিব আহত হয়েছে। 

গুরুতর আহত ফাহাদ ও তার বাবাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল নোমান একই দিন রাতে তাদেরকে হাসপাতালে দেখতে যাওয়ার পথে সিএনজি থেকে তাকে নামিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে হামলাকারীরা। 

এদিকে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি এম আর মাসুদ। তিনি বলেন, খেলা নিয়ে দু-পক্ষের লোকজনের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছেন। একটি চক্র তার সম্মান ক্ষুন্ন করতে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। 

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দীন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে কাউকে আটক করা যায়নি। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।