ইউনুছ শিকদারঃ এবার নোয়াখালীর সুবর্ণচরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সুবর্ণচর উপজেলার ২ নং চরবাটা ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ চর মজিদ আশ্রয়ন কেন্দ্রে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ওই নারী।
এ সময় সন্ত্রাসীরা গণধর্ষণের পর ওই নারীর বসত ঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছে। পরে স্থানীয়রা অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে।
হাসপাতালে নির্যাতিতা ওই গৃহবধূ বলেন, তার দাদি শাশুড়ির মৃত্যুর কারণে স্বামী বাড়িতে ছিলেন না।ধর্ষিতা নারী ঘরে একা ছিলেন। রাত প্রায় দেড়টার দিকে নয়/দশ জন দরজা ভেঙে তার ঘরে প্রবেশ করে। পরে তিনি চিৎকার দিলে অস্ত্র দেখিয়ে একজন মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে পাঁচজন পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে এবং তার গলায় ও কানে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তাকে মারধরও করে তারা। তিনি ধর্ষণকারী ও হামলাকারীদের সকলকে চেনেন। তারা এলাকার সন্ত্রাসী বলেও জানান।
তিনি আরও বলেন, তার দেবরের জামিন চাওয়ার জন্য ঘরে ২০ হাজার টাকা রাখা ছিলো। ধর্ষকরা টাকাগুলোও নিয়ে গেছে। এ সময় তারা ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র তছনছ করে এবং ঘরের বেড়া কুপিয়ে ও পিটিয়ে ভাঙচুর করে। ঘরের বাহিরে থাকা দুটি বৈদ্যুতিক লাইট খুলে অন্ধকার করে চলে যায়। এক পর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
তবে কেউ কেউ প্রতিবেদককে বলেন,বর্তমানে অন্যকে ফাঁসাতে এরকম অভিযোগ উঠে থাকে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।এবিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন মোজাম বলেন,"এগুলো কোন ব্যাপারই নয়,এটা সাধারণ ঘটনা"।
এ বিষয়ে চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহিদ উদ্দিন ভাঙচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নির্যাতিতাকে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
