গাংচিল অনলাইন.কমঃ বিজয় দিবসে নোয়াখালীতে জাতীয় পতাকা যথা নিয়মে উত্তোলণ না করার দায়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১১ প্রতিষ্ঠানকে ৮ হাজার ৩০০টাকা জরিমানা আদায় ও গণ সচেতনতা সৃষ্টি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বিধি অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকাকে সম্মান দেখিয়ে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে উত্তোলণ না করা, ছেঁড়া জাতীয় পতাকা উত্তোলণ করা, স্থাপনা স্পর্শ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলণ করা, বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকা অর্ধ নমিত রাখার দায়ে বাংলাদেশ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক আদেশ ১৯৭২ এবং গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বিধিমালা ১৯৭২ অনুযায়ী ১১টি প্রতিষ্ঠানকে এ জরিমানা করা হয়। মোবাইল কোর্টে পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: রোকনুজ্জামান খান।
জেলা প্রশাসক জনাব তন্ময় দাস মহোদয়ের নির্দেশনা ও বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তারিকুল আলম মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে এ কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
এসময় আদালতকে সহযোগিতা করেন অধ্যক্ষ, ভুলুয়া ডিগ্রী কলেজ ও সিনিয়র জেলা তথ্য অফিসার নোয়াখালী এবং আইনশৃঙ্খলায় রক্ষায় সহযোগিতা করেন সুধারাম মডেল থানা পুলিশ।
সোনাপুর জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে মাইজদী বাজার পর্যন্ত সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় জালাল হোটেল কে ২০০টাকা, জনতা হোটেল কে ৫০০টাকা, তৌকি হোটেলকে ৫০০টাকা, আমানিয়া বেকারি কে ৫০০ টাকা, আমানিয়া হোটেলকে ৫০০টাকা, বনলতা হোটেল কে ২০০০টাকা, আমানিয়া বেকারি কে ১০০০টাকা, গ্রান্ড হোটেল কে ১০০০টাকা, রহমান বাণিজ্য বিতানকে ৫০০টাকা, বনফুল কনফেকশনারীকে ৫০০টাকা ও আয়োজন বেকারিকে ১০০০টাকা সহ ১১টি প্রতিষ্ঠানকে ৮হজার ৩০০টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ করে তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
জাতীয় পতাকা আমাদের অর্জন, আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার এবং জাতীয় পতাকাকে যথাযথ নিয়মে সম্মান প্রদর্শন আমাদের দায়িত্ব।
তথ্যসূত্রঃ ডিসি অফিস, নোয়াখালী।

