নিহতের মেয়ে শারমিন আক্তার বলেন, মঙ্গলবার রাতে বাবার মোবাইলে একাধিকবার ফোন আসে। কিছুক্ষণ পর বাবা ঘর থেকে বের হন। এরপর বাইর থেকে দরজা বন্ধ করে যান তিনি। পরে বাবা আর বাড়িতে ফেরেননি। সকালে তার খোঁজে আমরা দোকানে যাই। দোকান বন্ধ দেখে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোজাখুঁজি করি। কিন্তু তার সন্ধান পাইনি।
শারমিন আরো বলেন, আমাদের দোকান থেকে ১০০ গজ দূরে পরিত্যক্ত জায়গায় বাবার মরদেহ দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাদের খবরে বাবার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পাই।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় কয়েকজন বাবাকে জামিন রেখে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকে ঋণ তোলেন। এসব ঋণের টাকা নিয়মিত শোধ না করায় ঋণগ্রহীতাদের সঙ্গে বাবার ঝামেলাও হয়েছে।
চাটখিল থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের মুখমণ্ডলসহ বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
