ইউনুছ শিকদার: শুধু এবার নয়! এ নিয়ে ২১ বার নোয়াখালী সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগের ভবনটিতে পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০১৫ সালে গণপূর্ত বিভাগ ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করার পর সংস্কারে বরাদ্দ চাওয়া হয়। কিন্তু, কোন লাভ হয়নি। সেই থেকে ঝুঁকি কাঁধে নিয়েই চলতে থাকে হাসপাতালের কার্যক্রম।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের পরিত্যক্ত ভবনে চলছে দাপ্তরিক কাজ। এতে আতঙ্কে রোগী, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও স্থান সংকুলান না হওয়ায় বাধ্য হয়েই চালাতে হচ্ছে কার্যক্রম।

সবশেষ গত বুধবার (১২ জুন) যখন আবারও পলেস্তারা খসে পড়ে তখন টনক নড়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ভবনটি ব্যবহার উপযোগী নয় বলে সাইন বোর্ড ঝুঁলিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। এরপরও বন্ধ হয়নি দাপ্তরিক কাজ।

যদিও স্বাস্থ্য বিভাগ ও গণপূর্ত বিভাগের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে অস্থায়ী শেডে সরিয়ে নেয়া হবে সকল কার্যক্রম। তবে, গণপূর্ত বিভাগের আশ্বাস, অতি দ্রুত অস্থায়ী শেড নির্মাণ করে সরিয়ে ফেলা হবে সকল কার্যক্রম।

বুধবার (১২ জুন) নোয়াখালী সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগের ভবনে পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনায় শিশুসহ আহত হন অন্তত ১১ জন। জানা যায়, ভবনটির বাইরে রং চকচকে থাকলেও নির্মাণ সাল ছিল ১৯৬৭।