নোয়াখালী সদরে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন সম্পর্কে ভোটারদের সচেতন করতে মাইকিং করে ইভিএম ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার সারাদিন উপজেলার ১৩১টি ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের জমায়েত করে ক্যাম্পেইন করে উপজেলা নির্বাচন অফিস।
নোয়াখালী পৌর কাউন্সিলর ফখরুদ্দীন মাহমুদ ফখরুল বলেন, নোয়াখালীতে এ প্রথম ইভিএমে ভোট হতে যাচ্ছে। ইভিএম ব্যবহারে ভোটারদের দক্ষতা বাড়াতে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি ভোটারদের দক্ষ করে তুলতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ক্যাম্পেইন ও মাইকিং করেছি।
সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সহকারী রির্টানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার বিমেলন্দু কিশোর পাল বলেন, ইভিএম ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভোটার কেন্দ্রে এসে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাবেন। সেটি দেখার পর পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে ভোটারের তথ্য বের করা হবে। তথ্য মিলে গেলে ভোটারের আঙ্গুলের ছাপ নেয়া হবে। ছাপ নেয়া হলে ভোটার গোপন কক্ষে গিয়ে ইভিএমের ডিসপ্লে পর্দা দেখতে পাবেন। সেখানে বিভিন্ন দলের প্রার্থীর মার্কা থেকে নিজের পছন্দমতো সিল বাছাই করে ভোট দিতে পারবেন। যদি ভুল করে অন্য প্রার্থীর সিলে চাপ পড়ে যায়, তাহলে ভোটার তা সংশোধন করতে পারবেন। এভাবে ভোট দেয়ার কাজ সম্পন্ন হলে স্পিকারে বেজে উঠবে ‘আপনার ভোট সম্পন্ন হয়েছে’।
নোয়াখালী সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সহকারী রির্টানিং অফিসার ও ইউএনও মো. আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, ইভিএমে জাল ভোট দেয়ার সুযোগ নেই। উপজেলার ১৩১টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ভোটারদের সামনে ইভিএম প্রদর্শনীতে ভোটারদের আগ্রহ বেড়েছে।
উল্লেখ্য, পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে নোয়াখালী সদরে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হবে।

0 মন্তব্যসমূহ