নোয়াখালী সদর উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. নুরুল আলমকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় বাধা দিতে গেলে কুপিয়ে ও পিটিয়ে ৪ জনকে গুরুতর আহত করা হয়। আহতরা হলেন- মো. হানিফ মাঝি, আশ্রাফুল আলম সুমন, নুরুল হক ও আলী উল্যা। তাদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে শনিবার রাতে ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আলমের ছোট ভাই মো. মোরশেদ আলম বাদী হয়ে ২৪ জনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় মামলা করেছেন। মোরশেদ আলম বলেন, উপজেলার চর কাউনিয়া গ্রামের মোকাররম একজন ডাকাত। সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নিজস্ব বাহিনী তৈরি করে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। মোকাররমসহ তার বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। ওই বাহিনীর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে স্থানীয় জনগণের দাবির মুখে চেয়ারম্যান নুরুল আলম বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্যোগ নিলে সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার চেষ্টা করে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় চেয়ারম্যান নুরুল আলম নিজ বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠকে ব্যস্ত থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসী মোকাররমের ছেলে মো. ফয়সালের নেতৃত্বে আবুল কালাম, মনোয়ার হোসেন, সোহাগ, এমরান, আনোয়ার হোসেন, লিটনসহ সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা চেয়ারম্যানকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এ সময় স্থানীয়রা সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করলে সন্ত্রাসীরা স্থানীয়দের ওপর হামলা চালায়। তাদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে পলিয়ে যায়।
নুরুল আলম বলেন, সন্ত্রাসীরা আমাকে একাধিকবার গুলি করে হত্যার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। সুধারাম মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল বাতেন মৃধা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্যসমূহ